অনলাইন থেকে টাকা আয় করার সহজ উপায়।

 ২০২০ সালে এসে চাকরী পাওয়াটা কতটা কষ্টের যারা চাকরীর পিছনে দৌঁড়াচ্ছেন তারাই বুঝতে পারেন। চাকরী হলো তো ভাল। যদি চাকরী না হয় বা দেরীতে হয তবে কি বসে থাকবেন? না এমন পরিস্থিতির জন্য চাকরীর চেয়েও ভাল এবং স্বাধীন পেশা হতে পারে আউট-সোর্সিং। আপনি পড়া-শোনা করেন, চাকরী করেন অথবা বেকার বসে আছেন যে কোন পরিস্থিতিতে টাকা আয়ের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম অনলাইন। যেখানে সামান্য পরিশ্রম করলে এবং কিছু সময় ব্যয় করলে মোটা অংকের টাকা কামানোর পথ উস্মুক্ত হয়ে যাবে। মানুষ এখন প্রযুক্তি নির্ভর, দিনের বেশির ভাগ সময় প্রযুক্তির সাথেই কাটায় আর আপনি এই সুযোগটাকেই বেচে নিতে পারেন যদি আপনার সামান্য দক্ষতা থাকে।

টাকা কামানোর মাধ্যমগুলো হতে পারেঃ

১। মোবাইল ফোনঃ যদি আপনার একটি স্মার্ট মোবাইল থাকে তবে আর ভাবনা কিসের! এখনি শুরু করে করে দিতে পারেন। বিষয়টি ক্লিয়ার করে নিচ্ছি। কারণ অধিকাংশ লোকের কাছে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকার কারনে অনলাইন কাজ করতে চায় না। তারা মনেকরে কম্পিউটার ছাড়া মোবাইল দিয়ে অনলাইন হতে আয় করার সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি হয়ত জানেন না যে, কম্পিউটার ছাড়াও শুধুমাত্র মোবাইল দিয়ে বিভিন্ন উপায়ে ঘরে বসে অনলাইনে সহজে আয় করা যায়। আপনার নিকট যদি একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল থাকে তাহলে আপনি সেই স্মার্টফোন দিয়ে অনলাইন হতে মাসে কিছু টাকা আয় করে নিতে পারবেন। বর্তমান সময়ে স্মার্টফোনগুলো দিয়েও ভাল মানের ভিডিও করা যায়, সে সমস্ত মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে Youtube বা সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আয় করা যায়।

২। ব্লোগিং করে বা আর্টিকেল লেখেঃ যদি আপনার লেখার দক্ষতা ভাল থাকে তবে আপনি ব্লোগ লেখে বা আর্টিকেল লেখে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারেন।

৩। প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হয়েঃ এখনো অনেকেই আছেন যারা শত শত ডলার নিয়ে বসে আছেন কিন্তু যোগ্য কোনো প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার না পেয়ে  কাজ দিতে পারছেন না। যদি আপনার ভাল কোনো দক্ষতা থাকে তবে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার। ফ্রিল্যান্সার হতে গেলে যেসকল কাজ জানার প্রয়োজন হয়-ছবি এডিটিং, ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ্ওয়েব ডিজাইন-ডেভলপমেন্ট ইত্যাদি।

৪। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করেঃ এক্ষেত্রে আপনাকে কোনো একজনের প্রডাক্ট কমিশন ভিত্তিক বিক্রি করে কমিশন নিয়ে কাজ করতে হবে। অর্থাৎ বিক্রি হলে টাকা না হলে নাই।

৫। ইউটিউবার হয়েঃ বর্তমান সময়ে মানুষ যাহা কিছুই কিনতে যাক না কেন প্রথমে ইউটিউবে সেই  প্রডাক্টটির বর্ননা দেখে নেয়। আপনি এই প্লাটফর্মটিকে কাজে লাগাতে পারেন। খাওয়া, ভ্রমন বা রান্নার কাজের ভিডিও করে ইউটিউবে পোষ্ট করলে সেখান থেকে ভিউ হওয়া সাপেক্ষে আপনি টাকা পাবেন।

৬। গ্রাফিক্স ডিজাইনঃ    ৭। প্রডাক্ট র‌্যাংকিংঃ ৮। ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি।

এছাড়াও আপনার দক্ষতা অনুযায়ী ইনকাম করতে পারবেন।

No comments:

Post a Comment

Pages